সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

Bangla Kobita Website

কিছু-কথা -------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আমি কখনো কবিতা লিখিনি। সে চেষ্টাও করিনা, তাহলে আমি কি লিখি? আমার উদ্ভট মস্তিষ্কে যা নাজিল হয় আমি তাই লিখি। সেগুলা কি হয় আমি জানিনা তবে কবিতা যে হয় না সেটা জানি কারণ কবিতা লিখতে হয় নিয়ম বেঁধে ছন্দে আমারতো কেবলি ছন্দ পতনের গল্প তাছাড়া আমি কবিতাকে কোন নিয়মে বাঁধতে চাইনা। কবিতা হবে পানির মত আকৃতি বিহীন। কবিতাকে আকার দেওয়া যায় না, না পাত্রে না পত্রে। কবিতা বিশাল আকাসের চেয়েও বিশাল, গভীর নলকূপের চেয়েও গভীর। কবিতা সমুদ্রের মত। যত খুঁজবে তত মুক্ত- মানিক পাবে। আমি স্বরবৃতি, মাত্রাবৃতি বুঝিনা তাই আমি কখোনো কবিতা লিখিনা। জোড়াতালির শব্দ ভঙ্গা ভাঙ্গা বাক্য এগুলোতো আর কবিতা হয় না। তারপরও এসব যা ইচ্ছেতাই লেখাই দু' চার জন পাঠক জুটে যায়, ছেড়া হৃদয়ের গল্প পড়ে কেউ কেউ উঃ, আহ করে এসব এই দুর্ভাগার সৌভাগ্য, আপনাদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। প্রসব ব্যথা উঠলেই আমি লেখা প্রসব করি।

আমার বেতাল শব্দদের ক্ষমাসুন্দর চোখে দেখবেন, আমি নিজেও জানি আমা…
সাম্প্রতিক পোস্টগুলি

থুতু (Split)

দৃশ্যঃ১
চরিত্রঃ দারোয়ান, আফজল হোসেন, জয়
স্থানঃ আফজাল হোসেনের ড্রইং রুম
সময়ঃ দিন

দেয়ালে এক জন বন্দুক ধারী জমিদারের ছবি ঝুলছে তার নিচেই একটা বাঘের শো পিস। হালকা বাতাসে দরজার পর্দা কাঁপছে। দারোয়ান হাত জুরাজুরি করছে।
দারোয়ানঃ স্যার টাকাটা না হলে ছেলেটাকে বাঁচাতে পারুম না। দয়া করেন স্যার।

আফজাল সাহেবঃ (মুখের ওপর থেকে পত্রিকাটা সরিয়ে টেবিলের উপর রেখে সিগারেটের প্যকেট থেকে একটা সিগারেট আর লাইটারটা নিয়ে জানালায় গিয়ে দাড়াবে। সিগারেট ধরিয়ে একরাশ ধোয়া জানালা দিয়ে বাহিরে খোলা আঁকাসের দিকে ছাড়বে।
গলাটা যথেষ্ট গম্ভীর করে বলবে) তোমাকে তো বেতন দেওয়া হয়, হয় না! যখন তখন টাকা চাওয়ার অভ্যাশ বাদ দাও
আমি তো আর টাকার গাছ লাগায়নি, লাগিয়েছি! বেতন ছাড়া তোমাকে কোন টাকা দেওয়া হবে না যাও নিজের কাজে
যাও। দারোয়ান ঘুরে বাহিরের দরজার দিকে যাবে। আফজাল সাহেব আবার বলে উঠবে

আফজাল সাহেবঃ এসব ছোটলোকদের স্বভাব কখনো বাদলাবে না বলেই তিনি সিগারেটে একটা টান দিয়ে খুক খুক করে কেশে
জানালার বাহিরে একদলা থুতু ফেলবেন।)
আফজাল সাহেবের কথাটা শুনেই দারোয়ান থমকে দাঁড়াবে। মাথাটা ঘুরিয়ে আফজাল সাহেবের দিকে তাকাতে যেয়ে দেখবে ভেতরের দরজায় আফজাল সাহেবের …

ঘাত

সোমার হাসিমুখ দেখলেয় আমি সবগুলিয়ে ফেলি পুরো পৃথীবি ভুলে যাই। পাতলা গোলাপের পাপড়ির মত ঐঠোটের হাসি দেখলেয় আমার বুকে ঝর ওঠে। আজো উঠছে। ঘৃণার ঝড়, ক্রোধের ঝড়, অপমান-অভীমানের ঝর। একদিন ঐ হাসি দেখার জন্য আমি পাগল হয়ে থাকতাম আজ কেনো এতোটা কুতসিত লাগছে! সোমা আমাকে দেখে ঠোঁটের হাসি আর একটু প্রসস্থ করে বললো : আজ এতো তারাতারি এলে?
আমি হাসি ফিরিয়ে দিয়ে বললাম,
: তুমিওতো তারাতারি এসেছো
সোমা কৈফত দেওয়ার ভংগিতে বললো
: তোমাকে তো বলা হয়নি, আজ আমি অফিস যায়নি, মার ওখানে গেছিলাম বাবা একটু অসুস্থতো তাই। হুমায়ূন আহমেদ বলেছেন, চোখের দিকে তাকিয়ে মিথ্যা বলা যায় না, মিথ্যা বলতে হয় অন্য দিকে তাকিয়ে" সোমা অন্যদিকে তাকিয়ে কথা বলছে অথচো কি আত্তবিশ্বাসের সাথে বলছে। সোমার বাবা অসুস্থ সত্যি কিন্তু সোমার তা জানার কথা না, সোমার ফোন বন্ধ বলে সোমার মা আমাকে ফোন করেছিলো। আমিও কয়েকবার ট্রাই করেছি সুইচ অফ । আমি সোমার অফিসে গেছিলাম পাইনি। আমি সোমার হাত ধরে কাছে টানলাম ওর চোখে চোখ রেখে বললাম : আচ্ছা, ধরো তুমি কনোদিন জানতে পারলে আমার অন্য কারো সাথে সম্পর্ক আছে, তখন কি করবে?
সোমা হেসে বললো
: তুমি কখনও এমন করবে না,
আমি বললাম
: ধরো ক…

বাংলা বিরহের কবিতা আবৃতি ভিডিও

নাম দেব না-----------------------------------------------

আমি কষ্টের কোন নাম দেবো না
ব্যর্থতার লাঞ্ছনা
পরাজয়ের গ্লানি
তোমার আকুতি
ভুল দরজায় কড়া নাড়ায় যে তিতুক্টি
এ সবের তো কোন নাম হয় না
তাই আমি কষ্টের কোন নাম দেব না।

বেদনার নিটল বিষে
জুলিয়াস সিজারের মত পুড়তে পুড়তে
ক্লিওপেট্রার চোখে দেখেছি
নীল বিষের সমুদ্র
জ্বলন্ত সূর্য ঠোটে ডোবাতে গিয়ে দিয়েছি আত্তাহুতি
আত্তঘাতি লাশেরতো জানাজা হয় না
অখন্ড হৃদয় নিয়ে তাই শিয়াল শকুনের ঝগড়া
আমি বেদনার কোন নাম দেব না।

যদি বলো দুঃখ!
সেতো চিরোচেনা
আমার ভাঙ্গা ঘরের ভাঙ্গা চালার মত
উদরের আগুন বাড়িয়ে দেয়া ফুটো থালার মত খুব আপন
সম্পর্কের ছেড়া কাপড় যেমন
আমার জরাজীর্ণ শরীরে আট হয়ে বসে
যা পেয়েছি পুড়োটাই করুণা ভিক্ষার্থী
যা পাইনি তাই ছিলে তুমি
সেসব গভীর রাতের বোবা কান্নার গুমরে মরা
তার তো কোন নাম হয় না
তাই আমি দুঃখেরও কোন নাম দেব না,

নাম করণে যাবোই না
রক্ত স্বাদে যে দেবীর তুষ্টি
সেই পূজোয় প্রেম থাকে না
ভালোবাসা! সে তো নিষিদ্ধ পল্লীতে
নষ্ট আঁচল তলে।


nogorkatha - নগর কথা- bangla kobita website
bangla sad kobita, বিরহের কবিতা, Sad love poems bengali, bangla sad kobita lyrics, bangla sad kobita in ba…

Bangla Sad Kobita in Bangla Font

একবার এসো---------------------------
সময় হলে একবার এসো তোমাকে ছাড়া কতটা সুখে আছি মাতালের আসরে কতগুলো রাত নির্বাসন দিয়েছি
কতগুলো দিন বেদনা কাতর পথের পানে চেয়ে থেকেছি বিরহ বুকের ব্যথায় সূর্য কে কতটা পুরিয়েছি
তুমিহীনতায়-নিঃসঙ্গতায় কতটুকু চিনেছি তোমাকে, নিজেকে
একবার সময় করে এসে, দেখে যেও
অবেলার সেই কিশোরী আজ কতটা বদলে গেছো। অগোছালো স্বামী, গৃহস্থালি টুকিটাকি
সাংসারিক শব্দে থেকে ছুটি নিয়ে
একবার এসো
অন্তত এই ব্যর্থ প্রেমের কাব্য পূর্ণ করতে
ভালোবাসা-বাসিতে অভ্যস্থ দুটি ঠোট
কতটা ছলনা লুকিয়ে রাখতে পারে
দেখিয়ে যেও।
শব্দের ক্রোন্দলে হৃদয়ে ব্যথার ঝড় উঠেছে
নোনা জলের ছাটে চোখের পাতা ভিজছে
অব্যক্ত কথাগুলো ভিজে জড়োসড়ো
সেসব শুনতে না হোক
এই আমিও কতটা বদলে গেছি
দেখে যেও,
অবসর পেলে এসো
অন্তত হারানো তুমিকে খুজে পেতে
এই চোখের পানে একবার তাকিও। 
nogorkatha - নগর কথা- bangla kobita website

Bangla Songrami Kobita

নষ্ট রাষ্ট্র  -------------------------------
রাষ্ট্র, ওসব ভালোবাসার কথা
আমাকে বলো না আর
তোমার প্রেম প্রলাপের বিষবাণী
আমকে শুনিয়োনা আর
লোভা দেখিয়ো না উদ্দাম সঙ্গমের
তোমার ছলাকলা- আমার ভালো করেই জানা,
তুমি চুমুর প্রলোভনে
শোষণ করো হৃদয়ে
রাষ্ট্র, তোমার প্রেম-নীতি বড্ড বাজারে।
তুমিতো স্বৈরতন্ত্রের কেনা মাগী
সিঙ্ঘাসনে বাঁধা
ক্ষমতার উদৃত লিঙ্গ চেটে
উচ্ছিষ্ট ফেলো ফুটপাথে
আমায় দিনের আলোর ভয় দেখিয়ে
রাত কাটাও শাসক গুষ্টিতে
তুমি শোষকের কাছে দেহ বিকিয়ে
প্রতারণা করো শোষিতের সাথে
আমারা বারে বারে তোমায় বিশ্বাস করে
আজ বড্ড ত্যক্ত- বিরক্ত
বখাটে যুবকের মত
তোমায় নগ্ন করার আগেই
রাষ্ট্র, তোমার আচল সামলাও।
নয়তো পতিতা পল্লীতে তোমার গন্ধ রটবে
ঠোটের কামে যে ফুটপাথ মাতিয়ে রাখো
সেইখানে প্রেমের দাহ হবে।
মঞ্চনীয় প্রেমের বিষবাক্যে
তারা আর মরবে না
জাতীর কাপর খুলতে
ঐ ভুক্ষ- নাঙ্গারা আর ডরবে না।


এখোনো সময় আছে
রাষ্ট্র, তোমার চলন সামলাও।

Somewhere in blog
nogorkatha - নগর কথা - bangla kobita websiteromantic bangla poem, vabuk kobita, ekla kobita, Sad love poems bengali, bangladesh kobita, বাংলার কবিতা, Ben…

Romantic Bangla Kobita Collection

তোমায় ছোব----------------------------------------------
তুমি না হয় গোলাপ নিও
তোমার খোপায় ভীষণ যায়
আমি না হয় ধুতুরা চিবাবো
হারিয়ে ফেলার দায়।
ওষ্ঠে তুমি বিষই রেখো
নষ্ট হবার ভয়ে
আমি না হয় বিষেই মরি
ভ্রমরা হবার দায়ে।
যত্ন করে সেজো তুমি
নূপুর দুটি পরে
তাজা বুকের রক্ত দেবো
আলতা বানিয়ো পায়ে।
কপাল জুড়ে ছোট্ট টিপ
মধ্য রাতের চন্দ্র
আমাবস্যা আমায় ঘিরুক
কান্না করুক শত।
কাঁচের চুড়ি হাতটি জুড়ে
ছন্দে ওঠো মেতে
বুকে আমার ব্যাথার বীনা
বাজুক যতয় করুণ সুরে
হাসি রেখো ঠোঁটে।
কাজল কালো চোখ
যেনও পদ্দ দীঘির পাড়
দীঘির জলেয় ডুববো না হয়
শীতটা দেখাক যতয় ভয়।
হলদে রাঙ্গা শাড়ী পড়ো
শষ্য ক্ষেতের মাঠ
মাতাল হাওয়ায় তোমায় ছোব
এই জীবনের স্বাদ। 



বাংলা কবিতা ও কবিদের আসর
nogorkatha - নগর কথা- bangla kobita website‎কবিতার আসর, প্রেমের কবিতা, জীবনমুখী কবিতা, বিরহের কবিতা
bengali romantic lines, bengali love poem, bangla sad kobita lyrics, adhunik bangla kobita, bangladesh er kobita