সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

বাংলা বিরহের বৃষ্টির কবিতা

সে দিন বৃষ্টি ঝড়েছিলো ---------------------------------
সে দিন বৃষ্টি ঝড়ছিল
টিপটপ টিপটপ শব্দে
একলা গাছটা ভিজছিলো
হিমেল হাওয়ায় পাতাগুলো কাপছিলো
মগডাল চুয়ে চুয়ে বৃষ্টি পড়ছিলো।
বৃষ্টি পড়ছিলো ধূলিমাখা পথে
বৃষ্টি পড়ছিলো খোলা উঠানে
বৃষ্টি পড়ছিলো টিনের চালে
বৃষ্টি পড়ছিলো ঝমঝমিয়ে।
জানালার ওপাশে খোলা আকাশে
একরাশ মেঘছিলো, ঘপটি মেরে
মেঘেদের আত্তচিৎকারে
ঝলসে উঠেছিলো পৃথিবীর বুক
পুরা মাটি, থকথকে কাঁদা।

সেদিন জানালার এপাশেও
মেঘ ছিলো, একরাশ কালো কালো মেঘ
সেদিন জানালার এপাশেও
বৃষ্টি ঝরেছিলো
উত্তপ্ত বুক ভিজছিলো
না বলা ব্যথায় থড়থড়িয়ে
একজোড়া ঠোট কাপছিলো
চোখের পাতা চুয়ে চুয়ে
বৃষ্টি পড়ছিলো।

সেদিন আঁকাশফাটা বৃষ্টিতে
চোখফাটা জল যায়নি ধুয়ে
সেদিন মেঘেদের চিৎকারে
কান্নার বিলাপ যায়নি ঢেকে

তবুও, সেদিন বৃষ্টি ঝড়ছিলো অঝরে
সেদিন নগ্ন শহর ভিজছিলো অম্ল জলে।


bangla kobita | কবিতার খাতা

nogorkatha - নগর কথা- bangla kobita website
brristir kobita, bangla sad kobita, Sad love poems bengali, সীমাহীন ভালবাসার দুঃখের কবিতা, bangla sad kobita lyrics,
bangla sad kobita video

বাংলা সংগ্রামী কবিতা

ঘৃণা ----------------------------------
আমি তোমাদের ঘৃণা করি
শুনতে পাচ্ছো! হ্যা তোমাদেরকেয় বলছি
খরাক্লিষ্টে শুকিয়ে গেছে আমার ঠোঁট
নইলে থুতু ছিটিয়ে দিতাম তোমাদের মুখে
মূত্রবাণে বিসর্জন দিতাম হে ভ্রষ্টা রাষ্ট্র
ক্ষমতা লোভী সিংহাসন
নির্বোধ জনতা, নগ্ন সভ্যতা
আমি তোমাদের ঘৃণা করি।

আমি তোমাদের ঘৃণা করি
ধূলি মাখা কাঁদা, নরম গালিচা
রেড কার্পেট, কালো রাজপথ
দাম্ভিক দালান, ভিক্ষারি ফুটপাথ
আমি তোমাদের ঘৃণা করি।

আর কত মুখ বুঝে সইবে
দেহ বিকিয়ে বাঁচবে
হাড়- মাংস চিবিয়ে খাবে
একি গল্প একি দৃশ্য
তবুও তোমাদের বোধ হয় না
হে বুদ্ধিবেশ্যা, নষ্ট বীর্য মাখা পতিতা
আমি তোমাদের ঘৃণা করি।

আমার অন্তরে থোকায় থোকায় জমেছে তিক্ততা
দাতের গোড়ায় গোড়ায় বিষ
তোমাদের ঐ পচা দেহে কামড়াতেও
আমার বড্ড ঘৃণা লাগে।

গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন
bangla songrami kobita abritti videonogorkatha - নগর কথা- bangla kobita website
songrami kobita, adhunik bangla kobita, কবিতা আবৃত্তি অডিও, bangla songarmi poem


বৈশাখীর আত্তচিতকার বাংলা সংগ্রামীর কবিতা

বৈশাখীর আত্তচিতকার-------------------------------------------------------
বান্দরবন থেকে সুন্দরবন আমি দেখেছি কিছু মুখোসধারি পশু লেজ কাটা বাদর হরিণির মত সুনয়না সাবালিকা। খবরের কাগজে ছাপা হয় করুণ চিত্‍কার
জানোয়ার গুলো মুখোশের আড়ালে থেকে যায়।
নদিমাতৃক এই বাংলাদেশে একটা সাগর আছে
হয়তো কিশোরির আত্তচিত্‍কারে সাগরটাও ফুঁসে উঠবে
কিন্তু আমরা নিরব থেকে যাই
ঐই জানোয়ারদের বগলের নিচের
বালগুলোও অক্ষত থেকে যায়। বিপুল উত্‍সাহ উদ্দিপনায় আসছে পহেলা বৈশাখ
আরতো মাত্র কটা দিন
সংবাদ বুলেটিনে আসছে ব্যাপক বিনোদন
ইলিশের দামের নিচে চাপা পড়ে যাবে আবার
কোন কিশোরির করুণ চিত্‍কার
লেজকাটা বাদরগুলো মেতে উঠবে দুষ্টমিতে
বেরিয়ে আসবে মানুষের ভেতর থাকা হায়েনা
কোন অক্ষ্যাত কিশোরি করবে দখল
খবরের কাগজের প্রথম পাতা ।
ধর্ষক এই সমাজ হাততালি দেবে
নাপুংষকের মত clap everybody clap, মহাসমারহে আসছে
১৬ কোটি মানুষের প্রাণের উত্‍সব
আসছে বাঙ্গালির প্রাণের উত্‍সব।
আবার কি কোন কিশোরির সতিচ্ছেদের
মধ্যদিয়ে হবে বর্ষ বরণ!
কান্নার বিলাপ ঢাকা পড়বে
দূর মাইকে বেজে ওঠা রবি ঠাকুরের গানে "এসো হে বৈশাখ এসো এসো"


Amar Bangla Kobita কবিতা আবৃত্তি …

ডাইরীর পাতা

আমি বরাবরই বোকা ও ভীতু ছিলাম, আজও আছি গতকালও ছিলাম। কেমন ভীতু? গতকালের কথাই ধরা যাক। একটা মেয়ে, কখনও আমি তার সামনে কখনও সে আমার, কখনো বা দুজনে পাশাপাশি হাটছি। হাতটা ধরতে চাইলে হয়তো দিত, হয়তোবা গালে এঁকে দিত পাঁচ আঙ্গুলের দাগ! মেয়েটা থমকে দাড়িয়েছিল হয়তো অকপটে কিছু তীক্ষ্ণ কথা বলতো অপমান করার চেষ্টা করত, হয়তো বা করত না। আমি তার চোখের গভীরতায় হাবুডুবু খাচ্ছি দেখে আবেগে আমার হাতটা ধরত। কোন এক পরন্ত বিকালে আমার বুকে মাথা এলিয়ে দিয়ে বলতো এভাবে তোমার বুক পাজরে আমাকে সারাজীবন বেঁধে রাখবে? আমি বলতাম, আমার বুকের জমিন ভালবাসার দামে তোমার কাছে বিক্রি করে দিছি, তুমি চাইলে অট্রালিকা বানাতে পারো চাইলে কুড়েঘর, চাইলে ধু ধু মরুভূমি, অতল সাগর অথবা সবুজ অরণ্য। বালিকা আমার বুকে মাথা রেখেয় বলতো, তোমার বুকে শুধু মাথা গোজার ঠাঁই দিও। কিন্তু আমি দাঁড়াইনি তাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেই চলে গেছি। আমার বুকে সে সাহস টুকু ছিল না।

অথবা আজকের কথাই ধরা যাক, মেয়েটা হুরপরি টাইপ কিছু না তবে আমার কল্পনায় যেমন মেয়ে আসে ঠিক তেমন। কলঙ্ক কি সুন্দরর্য বৃদ্ধি করে! চাঁদ সুন্দর চাঁদের কলঙ্ক আছে, তাজমহল সুন্দর তাজমহলের পেছেনেও কুৎসিত …

চেহারা বিড়ম্বনা

আমার চেহারাটা খুব কমন টাইপের। কি করে বুঝলাম? অন্তত কম করে হলেও কমপক্ষে ৫০ থেকে ৬০ জন বলেছে আমি নাকি দেখতে তাদের পরিচিত কোন এক জনের মত। কারো ভাই, কারো বন্ধু কারো বা সন্তান দেখতে ঠিক আমার মত। একবার আচমকা একটা থাবা এসে পরল আমার পিঠে আমি ঘুরে তাকাতেই দেখি বিরাট সাইজের একটা লোক ৩২টা দাঁত বের করে হাসছে। আমার মেজাজতো তখন চরমে। ইচ্ছা করছিল একটা ঘুষি দিয়ে বেটার নাক ফাঁটিয়ে দেই কিন্তু লোকটার সাইজ দেখে ইচ্ছাটাকে দমন করলাম। লোকটা হাসতে হাসতেই বলল, কিরে ব্যাটা কেমন আছিস? আজকালতো তোকে দেখায় যায় না, কই থাকিস বলতো? সত্যি কথা বলতে কি থাবাটা এতই জোরে ছিল যে আমি কিছুক্ষনের জন্য কথা বলার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছিলাম। এমনিতেই শরিরে মাংস নেই সমান্য কিছু হাড্ডি চামড়াটা বেধেঁ রেখেছে। এই শরীরে থাবাটা হজম করতে আমার বেশ কষ্টই হয়েছিল। আমি নিজেকে সামলে নিয়ে বললাম সরি, আমি কি আপনাকে চিনি? লোকটা দেখলাম বেশ ভ্যাবাচ্যাকা খেয়েছে, মুখটা কাচুমাচু করে বলল সরি আসলে আপনার চেহারা অনেকটা আমার বন্ধুর মত। আমি মিনমিন করে বললাম সেটা ঠিক আছে, কিন্তু থাবাটা একটু আস্তে মারলেও পারতেন। মাঝে মাঝেই আমাকে নাকি অনেক জায়গায় দেখা যায় এমন কি যেস…

গল্প অথবা হাবিজাবি

ঐ মিয়া আপনার কি গুড়া কৃমি আছে, কামরায়? এত পেচাল পারেন ক্যান? নিজের কাজে যান। বেশি কথা কইলে প্যান খুলে হাতে ধইরা দিমু।
আশফাকুর রহমান হচকচিয়ে গেলেন এই এলাকায় এর আগে এমন ঘটনা ঘটেছে। তিনি যে দিন বাড়ী ভারা নিতে আসেন সেদিন অনেকই বলেছে কিন্তু মিসেস রাহমান কিছুই শোনেনি। আশফাকুর কত করে বললেন এই এলাকায় আসার দরকার নাই। কিন্তু কে শোনে কার কথা। মিসেস রাহমান জিদ ধরলেন তিনি এই এলাকায় এবং এই বাড়ীতেই থকবেন। অগত্যা আশফাকুর রাহমান কে এই এলাকায়ই থাকতে হল। অতঃপর তিনি বুঝতে পারলেন যে তিনি এই জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল করেছেন। আসলে মেয়ে মানুষের কথা শোনাই ভুল। এজন্যই বলে মেয়ে মানুষের বুদ্ধি থাকে হাটুর নিচে। এইযে বেহেস্ত থেকে বিতাড়িত হলাম তা তো এই নারীরই ভুলে। আশফাকুর রহমান এখন যে বিপদে পড়েছেন তা তো বউ এর করণেই। পিচ্চি একটা ছেলে বলে কিনা প্যান্ট খুলে হাতে ধরে দিবে। ছোট বেলায় অবশ্য প্যান্ট হাতে নিয়ে ঘোরা যেত, কত ঘুরেছেন তিনি। কিন্তু এই বয়সে প্যান্ট হাতে নিয়ে ঘোরাটা ঠীক মানাবে না তাছারা তিনি একজন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন, তাঁর একটা মান-স্মমান আছে না! এখন না হয় রিটায়ার করেছেন তাই বলে তো আর প্যান্ট হাতে নিয়ে ঘ…

যন্ত্রণায় কাতঁরাই

ফাযলামির সীমা থাকলেও সীমার ফাযলামি গুলো কখনওই শেষ হত না। হটাৎ রিক্সা ভাড়া দিতে গিয়ে দেখতাম ম্যানিব্যাগে কোন টাকা নেই ছোট্ট একটা চিরকুটে লেখা 'কি জনাব মনে পড়লো আমাকে! বলেছিলাম না! ভুলতে দেব না'। অজব! পুরাই ফাজিল মেয়ে, একে দুই বেলা নিয়ম করে থাপড়ানো দরকার। হটাৎ মাঝ রাতে অক্লান্তিকর ভাবে আমার ফোনটা বেজেই চলতো, আমি ঘুম জড়ানো চোখ নিয়ে ফোন রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে ভেসে আসতো একটা নরম মধুর কন্ঠ। কড়া ধমকের সুরে বলতো 'কি খুব ঘুমানো হচ্ছে না!' আমি বিরক্তির ভান করে বলতাম 'আজব মধ্য রাতেতো মানুষ ঘুমায়, নাকি! মাঝ রাতেতো আর কেউ ফুটবল খেলে না।' সে অভীমানি সুরে বলতো 'আমার ঘুম আসছে না।' আমি বিরক্তি হবার ভান রেখেই বলতাম 'তো আমি কি করব! আমাকে ঘুমাতে দাও।' সে ধমকের সাথে অভীমান মিশিয়ে বলতো 'উহু, আমার ঘুম আসছে না আর তুমি নাক ডেকে ঘুমাবা! তা হবে না। আমার সাথে তোমাকেও জাগতে হবে'। কোন মন্ত্রেই সে আর পোষ মানতো না। আগত্যা আমাকেই জেগে থাকতে হত, ছাগলের পাতা চিবানোর মতই আমাকে তার সাথে বকর বকর করতে হত। আমার কিন্তু খারাপ লাগতো না। যন্ত্রণা পীড়াদায়ক হয়, কিন্তু আমাকে প্রেরণা দ…